পঁচিশে বৈশাখ ১৪২৭, দ্বিতীয় উড়ান
হনন সম্মত হলে
পাঁক ঘেঁটে রক্ত
তুলে দেখি মানুষের হাড়
চক্রাকার কালির নর্দমা।
যে হাত বুরুশখানি-
ডুবেছে দানিতে
খড়্গে কেটে নিতে নিতে-
নিশীথবাহিত গণ নিরুদ্দেশে চলে
অস্তহিমাচলে, হলাহলে।
১
কী বিষ জুড়ালে সোনা
সফেদ কুর্তায়?
ছেঁড়ো... দড়ি আলগা
করো চেরা সমুদ্রের-
দাঁড়গুচ্ছ নাড়ো।
এ মহা ত্রিশূল তুমি
শুনেছ আঙ্গিকে,
-মন্ত্রের মাধব নয়।
দশক্রিয়া যৌথভাব নয়
অথচ মত্ততা আনে ।
নভোনীল মাড়িকে মাড়ির
ছুড়ির ছেনালি ঘষা
মারে;
স্বপ্নের বেঘোরে
দীর্ঘ ল্ল আকৃতির ঘোরে
হৃদি অঙ্গ চেনে
বিধি, আলকুশ ঝোপের রাস্তা,
নিধুভঙ্গ ধ্বজ
গান করো জারজ, জারজ...
দ্বিবর্ণ বিয়োও
নাড়া- ভুট্টাহীন অস্থিরতা প্রাকৃত হালাল করে নাও।
২
অথ কথা ঘুমকাতুর- মাংসবরফির খণ্ড
কল্লা থেকে তুলেছে ভবানী।
স্বীয়সম্ভবামি...
আমি তবে মাত কড়ি শান্তিকার্বাইন!
সোরা ও গন্ধক হয়ে
নেমে আসি আমি তবে
মানুষের ভাতের
থালায়-
রক্তছোপ ধায়। ধায়
পুরুষাঙ্গে হাত
আবার জাগিয়ে তুলি
নিদ্রিত ভূভাগ যা বনাত-
আতঙ্কগ্রস্থের হাসিমুখ
৩
কী ভাবো থুতুর মধ্যে
কেন পড়ে আছি
রতিকান্ত খাট ছেড়ে?
এভাবে প্রণয়মতে
হুসন-এ-জান্নাত পাবো
চক্রাকার হুলফোটা অবদমনের
ধাতু খসে যাবে।
খসিবে গোপন ধাত্রী
সাঁই আমার...
চরণদাসী... তোর মাতৃমাধু
যে বিশুদ্ধ উষ্ণভাব
বুনে গেল,
আলোক জিহ্বায়- দেখি
তাই জাদুবাস্তবতা
অচুম্বন- আকথা কুকথা
গণমুখে প্রচলিত
মটকাপল্লীর দাবি-
চাক্কাজ্যাম
মানিনা... চালাও।
পর্বত- হের্ বোকা বুড়ো সরো।
এমন দৌড়বো যেন এই
মৃত্যু ফোঁপানির
সুতোশব্দ কানে না
পৌঁছায়।
আয়াতসফল সেতু
মন্দাক্রান্তা কেঁপে ওঠে...
এমন দৌড়বো!
৪.
বহে হত্যাধাতু।
প্রতিদিন নতুন নতুন
মড়া
পাঁক থেকে আদিম জ্যোৎস্নায়-
হেঁটে হেঁটে উঠেছে পশ্চিমে।
এই অন্ধ যমুনার
অববাহিকায়
চুটায় আগুন নেবে
অতিকায় হরিকুণ্ড থেকে প্যাঁকাটির
ডগাটি মুড়োবে দাঁতে মড়া।
বহে বহে বহে
হত্যাধাতু
কৃষিকাজে বহে জন্মজরা
অন্তরীপে ভার করে
দোলনসংকেত।
হে মন্দ দশপ্রহরণে
অনিকেত
অবিন রায়চৌধুরী
সবুজ সিম্ফনি
আমার
ঠোঁটের পাতায় মিশে আছে একটা গ্রামীণ শ্যাওলা সেতু,
আমার বুকের মাঝটায় কাশফুলের নরম আলো।চোখের ভেতর রয়েছে
গাছেদের আঁকাবাঁকা খেলাঘর..আমার পায়ের তলায় মিশে আছে
ধুলোর মায়াবী ঐশ্বর্য;তোমার
সাথে আমি যখন প্রতি রাতে মিলিত হই তখন এ সমস্ত কিছু তোমার ভেতর ঘরে ছড়িয়ে দিই,বেড়ে
বেড়ে দিই...তোমার শরীরের ভেতর মিশিয়ে দিই অলৌকিক,সবুজ
এক সিম্ফনি...ওই দেশেই বেড়ে উঠছে আমাদের ভারতবর্ষ...
বিষণ্ন শিলালিপি-
আমি এতদিন যা কবিতা লিখেছি তার সবকটিই
প্রকৃতি লিখে রেখেছিল তার আদিম কোনো গুহায়। আমি তার সেই লেখা জোর করে ছিঁড়ে এনে
আমার নামে চালিয়ে দিই...আমার সব কবিতাই প্রকৃতির শরীর থেকে ছিনিয়ে আনা এক একটি
বিষণ্ন শিলালিপি।
হারিয়ে যাওয়া বন্ধু
শহরে ভীষণ মেঘ করলে আর তার মাঝে হলুদ
হ্যালোজেন জ্বলে উঠলে আমার হারিয়ে যাওয়া সেই বন্ধুর কথা মনে পড়ে। লাজুক,ভাঙা
শিশিরের মতো সে বন্ধু আমার...চুপি চুপি মায়াবী প্রান্তর জুড়ে সে গান কুড়োত
সারারাত,আমার
সেই হারিয়ে যাওয়া বন্ধু চাঁদকে 'দেবী'
বলে জানতো।হঠাৎই সে হারিয়ে গেল,ঝুঁকে
থাকা ঘুম ফেলে আজও তার পিছু পিছু ছুটে চলি আমি...ছুটতে ছুটতে আমিও হারিয়ে যাই
আমার হারিয়ে যাওয়া ওই বন্ধুটির মতোই,একদিন
হঠাৎ প্যাচপেচে গরমে আমাদের শহরের শরীরে অজানা বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ি গভীর রাতে...
নেমেসিস
চ্যাটচেটে কালো রক্তের ওপর দিয়ে হেঁটে
চলেছি...
জানালার পাশের গাছটিতে গলায় সুতো দিয়ে আত্মহত্যা
করেছে রঙিন ঘুড়িটি...
ছাদে পায়চারি করছে নিভৃত দুটো সাদা
শরীর..
তাদের ঠোঁটে জ্বলছে লাল শূন্যতা,ওদের
গায়ে লেগে আছে ভাঙা দেশের মাটি....
দেখি -শহরের রাস্তায় দুপুর দুটোতে কিছু
ফ্যাকাসে ভূত ঘুরে বেড়াচ্ছে এদিক ওদিক...
চারদিকে নীল স্তব্ধতার মাঝে মৃত্যু দুলছে
শুধু...
মিলন
একতারা অনেকটা লাজুক,মেঘলা
মেয়ের মতো দেখতে।একটি তারেই সে বেঁধে রাখে তার জীবনের যাবতীয় বিরহ,আগুন।একতারা
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে বালিশ চাপা দিয়ে নিঃশব্দ এক কান্না..আর গিটারের পাঁচ পাঁচটি তার,গিটার
অনেকটা একটা স্মার্ট ছেলের মতো।গিটার উড়ন্ত উল্লাস।ওদের মাঝে জেগে আছে এক পৃথিবী
ব্যবধান।তবু তারা দুজন দুজনকে ভালোবেসে সংসার পাতে,মায়াবী
গন্ধে কেঁপে কেঁপে ওঠে ওদের শরীর।দু'জনে
এক পথে হাঁটে নি বলেই ওরা আজও এক পথেই হাঁটে...
রাজীব চক্রবর্তী
ভাষা- রক্ত
ও মাসিক যন্ত্রণা
জ্যান্ত
সাপের মতো
এইগলি চলে
গেছে নদীর
যোনিতে l
রাস্তার
শরীরে হাত দিলে
বোঝা যায়
চাপ চাপ রক্ত
লেগে আছে
---
মাসিকের
নদী শব্দহীন- বর্ণহীন
অবিরাম রক্তক্ষয়ী.....
শুধু
রাস্তার বাঁপাশে স্যানিটারি
প্যাড
পড়ে আছে l
পঞ্চতত্ত্ব
ও প্রেমমুদ্রা
তোমার
চুমুর মতো
ভাষাজ্ঞান
কারই বা রয়েছে !
এতো এতো
তাবিজ কবজ ছিঁড়ে
এইসব
বসন্ত বিকেলে
কারা যেন
গল্ফগ্রীনে
ফিরে যায়
মাংসের
লোভে l
তোমার
চোখের নীচে
পড়ে থাকা
আলো,
বকুলের
ধ্বজা,
সুশীতল
ঝিল থেকে
উড়ে আসা
জলজ প্রত্যয়,
এইসবই
ভেসেছিল,
নির্মম শান্ত দুপুরে l
তোমার
শরীর থেকে উড়ে আসে
কেকা
ধ্বনি,
উড়ে আসে
ব্রণময় নিষিদ্ধ চুম্বন l
বিকেলে
ভোরের আলো ফুটবে না জানি
এইসব
ইতিহাস সাক্ষ্য রেখে
দেউলিয়া
হয়ে যাই রোজ এই
জুয়ার
আসরে ক্রমাগত
উলঙ্গ
আকাশের নিচে...
জাগরণী
সকলেই কবি নয়
পরান্মুখ
চ্যুতিগুলো
অতিক্রম
করে
তিনিই অমর
হয়ে যান
যিনি
হওয়ার ভিতরে এঁকেদেন
অতলস্পর্শী
সমুদ্র,
......নীলাম্বর
আকাশ --আর ডুবে যান
হরিণ
হৃদয়ে l
যিনি
বাসিমুখে
চুমু খান ঘুমন্ত স্ত্রীর
জাগ্রত
নাভিতে....
বৃষ্টির
শরীরে যিনি কথকতা
লিখে দেন
হাসতে হাসতে --
পাথরে
পাথর ঘষে
আগুন
লাগান,
অক্ষর ঝলসে ওঠে
এই
অবেলায়...
হোলিকা
দহন
শুকনো ডাল
পদাতিক
ডাবপাতার
খসখসে
ঝালর
মেটে আলু
এক্ষুণি
জ্বলে উঠবে
সোমত্থ
চিতার মতো,
জ্বলে
উঠবে খড়ের কাঠামো ছেনে
হোলিকার কালিন্দী
শরীর.....
নদীর
ওপারে
রাত
11.45,
উত্তাল
বর্ষণে ভেজে
অস্ট্রিক
রমণী....
ঘাম জমে
কালের কপালে
মাঠ ভেসে যায়
পূর্ণিমা জোয়ারে,
দোল মানেই
নারী.... বসন্ত.... আগুন
জ্বলে পুড়ে মরে চাঁদ একা
মার্জিন
এখনও টানা বাকি
বন্ধু
বলতে তো
সামান্য
বালিয়াড়ি,
বুকখোলা
অন্ধকার রাত
হাতের
ডানার মতো
নির্মম
তৃষ্ণা......
আর ওই
নাবালক
স্মৃতিগুচ্ছ
টুকরো
পাথর আর
মিল্কিওয়ের
নামে ছেঁড়াখোঁড়া
কবিতা বাসর.....
কয়েকটা
ঢিল ছুঁড়েদিয়েছি
আজীবন.......
টলটলে জলে
ঢেউগুলো
ফিরে আসে
আততায়ী হয়ে.....
বিদেশী
নামের প্রেমিকাকে ১
তোমার
আলোর কাছে হাঁটু মুড়ে
বসে আছি
--
কী যেন
লিখেছি আজ ভোরবেলা থেকে
স্কন্দকাটা........
মুখোশে
মুখোশে ঢাকা
শিং--
খুর-- তোতলা
শিশির
জবানে l
তোমার
স্তনের কাছে
বসে আছি
হা-অন্ন ভিখারির মতো l
আজকাল
বিটি রোডে
অন্ধকার
নেই বড়ো আর ;
স্ট্রিটলাইট,
দুইপাড়ে শপিংমলের কিছু
মৃদুঝংকার শোনাযায়,
অব্যর্থ
বকুল গাছের সাথে
তোমার
আমার কিছু
গভীর প্রেমের মতো ভেসে আছে
নরম
চিৎকার l
তুমি তো
খুলেছো ঝোড়ো চুলের
সাঁজোয়া..........
এইমাত্র আঙুলের
ফাঁক দিয়ে
উড়ে গেলো
"দুরূহ
আকাশ " --- তুমি শুধু জানো
প্রিয়তমা l
এইসব অবুঝ
মৃত্যুশোক
শবযন্ত্রণা
ক্লান্ত
সবুজ
আমি লিখে
দিয়ে যাবো
তোমার
হলুদ খাতায় --
অন্ধদিন
উৎকীর্ণ
উপমাসমূহ যাবতীয়
শোকের
নির্যাস
সাক্ষী
হয়ে রয়ে যাবে
পাতায় পাতায়.....
বিদেশী
নামের প্রেমিকাকে, ২
নীলাম্বরী
!
মগ্নপ্রাসাদ
ভেঙে
চলে এসো
হৃদয়ের কাছে
হলুদ নদীর
সাথে
আরক্তিম
পাহাড় দেখাবো l
ফিরে এসো
শান্ত
'মধুমূলে' ---
পাহাড়
পাঠাবো নীলাম্বর l
ফিরে এসো
নীলাম্বরী,
মায়াবী
হৃদয় উপবনে l
রাইঘাসে
ঢাকা তরুণ জবানী
সন্ধ্যানীড়
আলো হাঁসের পাখার মতো
হওয়া ঠেলে
আমাদের প্রবাহিত জীবনের
কড়ি-- মধ্যমা, উপেক্ষিত
অন্ধকারে
মুখ লুকিয়েছে l
যে নদীটি
এইমাত্র হাত ছেড়ে দিয়ে গেলো
ইতিহাসসম্ভূত
এগূঢ় শহরে
হরিণ
জানালা থেকে নিভু নিভু আলো
উঁকি দিলে
তুমিতো
আমারই খোঁজে আসো প্রত্যহ, লুকিয়ে দেখেছি আমি !
পৃথিবী
অনেক বেশি তোমার আমার সাথে
কথাকলি
নৃত্যের আঙ্গিকে
সময়
কাটায়......আমরাও
পেয়েছি
কিছু বিমূর্ত সংবাদ,
প্রক্ষিপ্ত
ভাষার সাথে
এইসব
তামাদি সভ্যতা শুয়ে আছে
ডিমডিমে
আলোমেখে লেখার টেবিলে,
আমিও উপুড়
হয়ে পদাবলী পড়ি
আর, দাবার
চালের মতো সতর্কে ভুল করি বারবার,
তোমার
ভিতরে কিছু আলো ছিলো ভেবে
হেঁটে
গেছি দণ্ডিপাক মেনে,
কিছু কিছু
দেবদারু তবু
উর্ধবাহুসম্ভূত
ঠিকানাএঁকেছে ওই
স্বর্গের দিকে....
এইসব দেশে
কেউ বাড়ির সামনে যেন
ঠিকানা
লেখে না কক্ষনো
ধ্রুব
মুখোপাধ্যায়
পিট্টু
আমার সেই কতকালের শখ,
তোর সাথে পিট্টু খেলব।
পঙ্গু হাতে হাওয়াই চপ্পল পরে আজও,
আজও আমি ঘুরে বেড়াই স্বর্গ-মর্ত-পাতাল,
যদি কখনো তুই বল ছুঁড়ে মারিস।
একটা একটা করে সাজানো আমার পিট্টুর গুটিতে
ধুলো পরে যায়। বেহায়া বাতাস টর্চার করে।
আমি আমার ভাঙ্গা পাল নিয়ে অবিরত পাহারা দিই।
যদি কখনও তুই বল ছুড়ে মারিস।
কিন্তু এ জন্মে আর
হল না।
আগামী জন্মে তোকে বন্ধু বানাবো বলে,
আমি পিট্টুর গুটি সাজিয়ে রাখলাম।
এক একটা বছর, এক একটা গুটি –
একটার উপর একটা করে আমার পরজন্মের সাধ।
কিন্তু বড্ড দেরি হয়ে গেল দেখতে। ঠিক পাশেই।
আগের জন্মে সাজিয়েছিলি বোধ হয়।
চকচকে, বৃষ্টি ভেজা তোর ব্যর্থতার স্তুপ।
কিন্তু আমার হাতে তো এখন শুধুই হাওয়াই চপ্পল; বল নেই।
ঋক অমৃত
বেদনার পাঁচ টুকরো
১.
সুস্থতার
ভ্রম নিয়ে বসে আছি। সময় যথা সমে এসে চাঁটিটি মারে-ধা। সমস্ত উচ্চারণ-পাউডার ঝরে
পড়ে। ঠাকুরের গল্প মনে পড়ে। এভাবেই টিস্যু ছিঁড়ি, টিস্যু ছিঁড়ে মহৎ অপচয়, অতঃপর
'মাঘে নাড়া'।
নতুন
বছরের কথা আর কী শোনাবো বলো!
২.
Nearer My
God to thee
প্রাচুর্য
যে গ্রামে দুর্ভিক্ষের ত্রাণ, সেইখানে এক আঁচল মেটাফর পেতে বসে আছি। এক বিরাট খাদ
সেজে ফিরে চেয়ে আছে রাত্তিরের আকাশ। মুখোমুখি এই আলাপচারিতার মঞ্চ যে কোনোদিন
কলোসিয়াম হয়ে যেতে পারে, এই উচ্ছ্বাসেই উল্লাস করি-
চিয়ার্স।
মরণের পারে এক অনন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আমাদের।
৩.
এত শব্দ
কোত্থেকে আসে গালিব?
কান পাতো,
শোনো
শুনেছ? ওই
যে দূর...
কিছুটা
কাছেও
দেখতে
পাচ্ছো?
নিত্যতর্পণে
ব্যস্ত মা নু ষ -এর
ভাঙন
৪.
বেদনাকে
চারভাগে ভাগ করলে ব্যাসদেব-এর জন্ম হয়। তাঁর গায়ে আঁশটে গন্ধ, নরম আঁচে সেঁকা রঙ
চরম দারিদ্রের দিনে যেন রুটির লটারি। এই খাবার জন্ম দেবে অন্ধত্ব, কাপুরুষতা,
ক্রমে আই টি সেল।
বিষাদহীন
একেকটা দিনে রেশন যে কী মারাত্মক, গীতাতে একথা কেন বলোনি এর আগে?
৫.
বড্ড
হিংস্র এই ক্যালেণ্ডার, প্রকৃত লিরিকের মাঝখানে আসে, মান্যতা চায়। কে কাকে প্রথম
পাবে, কে কার ভিতর! সরস্বতী নদী ভেসে যায়। এখন এই গ্রীষ্ম তথা মহামারী দিনে,
হাপিত্যেশ বসে থাকে ভূষণ্ডীর কাক...
ঈশ্বর
পাখমারারূপে আবির্ভূত হন...





Post a Comment