ঋক অমৃত
বেদনার পাঁচ টুকরো
১.
সুস্থতার
ভ্রম নিয়ে বসে আছি। সময় যথা সমে এসে চাঁটিটি মারে-ধা। সমস্ত উচ্চারণ-পাউডার ঝরে
পড়ে। ঠাকুরের গল্প মনে পড়ে। এভাবেই টিস্যু ছিঁড়ি, টিস্যু ছিঁড়ে মহৎ অপচয়, অতঃপর
'মাঘে নাড়া'।
নতুন
বছরের কথা আর কী শোনাবো বলো!
২.
Nearer My
God to thee
প্রাচুর্য
যে গ্রামে দুর্ভিক্ষের ত্রাণ, সেইখানে এক আঁচল মেটাফর পেতে বসে আছি। এক বিরাট খাদ
সেজে ফিরে চেয়ে আছে রাত্তিরের আকাশ। মুখোমুখি এই আলাপচারিতার মঞ্চ যে কোনোদিন
কলোসিয়াম হয়ে যেতে পারে, এই উচ্ছ্বাসেই উল্লাস করি-
চিয়ার্স।
মরণের পারে এক অনন্ত ইতিহাস অপেক্ষা করে আছে আমাদের।
৩.
এত শব্দ
কোত্থেকে আসে গালিব?
কান পাতো,
শোনো
শুনেছ? ওই
যে দূর...
কিছুটা
কাছেও
দেখতে
পাচ্ছো?
নিত্যতর্পণে
ব্যস্ত মা নু ষ -এর
ভাঙন
৪.
বেদনাকে
চারভাগে ভাগ করলে ব্যাসদেব-এর জন্ম হয়। তাঁর গায়ে আঁশটে গন্ধ, নরম আঁচে সেঁকা রঙ
চরম দারিদ্রের দিনে যেন রুটির লটারি। এই খাবার জন্ম দেবে অন্ধত্ব, কাপুরুষতা,
ক্রমে আই টি সেল।
বিষাদহীন
একেকটা দিনে রেশন যে কী মারাত্মক, গীতাতে একথা কেন বলোনি এর আগে?
৫.
বড্ড
হিংস্র এই ক্যালেণ্ডার, প্রকৃত লিরিকের মাঝখানে আসে, মান্যতা চায়। কে কাকে প্রথম
পাবে, কে কার ভিতর! সরস্বতী নদী ভেসে যায়। এখন এই গ্রীষ্ম তথা মহামারী দিনে,
হাপিত্যেশ বসে থাকে ভূষণ্ডীর কাক...
ঈশ্বর
পাখমারারূপে আবির্ভূত হন.

Post a Comment